মেনু নির্বাচন করুন
পাতা

বিআরডিবি

উপজেলা পল্লী উন্নয়ন কর্মকর্তার কার্যালয়

বাংলাদেশ পল্লী উন্নয়ন বোর্ড ( বিআরডিবি )

পল্লীভবন,

উপজেলা পরিষদ চত্তর,

বালিয়াডাঙ্গী-ঠাকুরড়াও

উপজেলা পর্যায়ে উপজেলা পল্লী উন্নয়ন কর্মকর্তার(ইউআরডিও) এর  কার্যালয়ের মাধ্যমে যে সব সেবা ও সহযোগিতা প্রদান করা হয়ঃ

(ক)প্রাথমিক সমিতি/ দল (পুরুষ/মহিলা) গঠন, ঋণ গ্রহনে পরামর্শ প্রদান ও এতদসংক্রামন্ত যাবতীয় তথ্য এবং ফরম সরবরাহ ।

(খ)সদস্যদের শেয়ার ও সঞ্চয় আমানত সংগ্রহের মাধ্যমে নিজস্ব পূঁজি গঠনে সহায়তাকরণ।

    (গ)সমিতিরসদস্যগণকে সহজ শর্তে কৃষি উৎপাদন ও কৃষি উপকরণের জন্য (সার,বীজ,কীটনাশকএবংসেচ যন্ত্রপাতি) ঋণ প্রদান,(১) সোনালী ব্যাংকের মাধ্যমে কৃষি ঋণ ও (২)আবর্তক ক্ষুদ্র  ঋণের ব্যবস্থাকরন।

    (ঙ)আনুষ্ঠানিক সদস্যদের নিবন্ধনের পরপরই এবং অনানুষ্ঠানিক দল গঠনের ৮(আট) সপ্তাহপর সদস্যদের ঋণ প্রদান করা হয়।

     (ঘ)বিভিন্ন প্রকল্প/কর্মসূচির আওতায় অনানুষ্ঠানিক দল গঠন এবংউৎপাদনমূখী ও আয়বৃদ্ধিমূলক কর্মকান্ডের জন্য ঋণ প্রদান ।

     (চ)সমবায়ীদের উৎপাদিত শস্যের বাজারজাতকরনের সুযোগ সৃষ্টি এবং ন্যায্য মূল্য প্রাপ্তিতে সহায়তা।

 (ছ)নারীর ক্ষমতায়ন ও নারী নেতৃত্ব বিকাশে সচেতনতা বৃদ্ধি, নারী নির্যাতন রোধ ও যৌতুক প্রথা নির্মুলে সচেতনতা সৃষ্টিতে সহায়তা।

     (জ)সদস্যদের বয়স্ক শিক্ষা, স্বাস্থ্য, পুষ্টি ও পরিবার পরিকল্পনা ইত্যাদি বিষয়ে পরামর্শ ও সেবা।

     (ঝ)বৃক্ষরোপন ও স্যানিটেশন সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধি কল্পে পরামর্শ ও সহযোগিতা।

     (ঞ)অস্বচ্ছল মুক্তিযোদ্ধা ও তাঁদের পোষ্যদের আত্মকর্মসংস্থান সৃষ্টির লক্ষ্যে নামমাত্র সেবা মূল্যের বিনিময়ে ঋণ প্রদান ।

 (ট)গ্রামীন দরিদ্র মানুষের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে সহযোগিতা প্রদান এবং গ্রামীননেতৃত্বের বিকাশ ও দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে দরিদ্র জনগোষ্ঠীকে সম্পৃক্তকরণ।

     (ঠ)উপজেলায় বসবাসরত যে কোন ব্যক্তিকে সেবা সংক্রান্ত তথ্য প্রদানে এ অফিস প্রতিশ্রুতিবদ্ধ ।

গুরুত্বপুর্ন প্রকল্পসমুহ :

 

১. একটি বাড়ী একটি খামার- প্রকল্প :

 পটভূমিঃ

            মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে গঠিত বর্তমান সরকারকর্তৃক ঘোষিত ‘‘দিন বদলের সনদ’’ বাস্তবায়নের লক্ষ্যে সরকারেরঅগ্রাধিকারভূক্ত নির্বাচনী অঙ্গীকারের মধ্যে দারিদ্র্য বিমোচন অন্যতম।নির্বাচনী ইশতেহার এবং রূপকল্প ২০২১ অনুযায়ী ২০১২ সালের মধ্যে দেশকে খাদ্যেস্বয়ংসম্পূর্ণ করার লক্ষ্যে ফসল উৎপাদন বৃদ্ধি এবং ২০১৫ সালের মধ্যেদারিদ্র্যের হার অর্ধেকে নামিয়ে আনাসহ ‘‘ডিজিটাল বাংলাদেশ’’ গড়ার বিষয়েসরকার দৃঢ় প্রতিজ্ঞ । এ অঙ্গীকারের আলোকে বর্তমান সরকার স্থানীয় সম্পদ, সময়ও মানব শক্তি/সত্ত্বাকে সর্বোত্তম ব্যবহার তথা জীবিকায়নের মাধ্যমে প্রতিটিবাড়িকে অর্থনৈতিক কর্মকান্ডের কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত করতে বদ্ধপরিকর । সেলক্ষ্যে প্রাথমিকভাবে দেশের প্রতিটি গ্রামে ৬০ থেকে ১০০ জন সদস্য সমন্বয়েগঠিত সংগঠন (Village Organization) কে একটি স্বতন্ত্র অর্থনৈতিক ইউনিটহিসেবে গড়ে তোলার লক্ষ্যে ‘‘একটি বাড়ি একটি খামার’’ প্রকল্পটি বাস্তবায়নেরউদ্যোগ নেয়া হয়েছে । এজন্য প্রকল্পের আওতাধীন সকল সুফলভোগীদের অংশ গ্রহণেরমাধ্যমে ‘‘উঠান বৈঠক’’ কে প্রকল্প বাস্তবায়ন তথা তাদের জীবন ব্যবস্থারনির্বাহের নিমিত্ত সিদ্ধান্ত গ্রহণের কেন্দ্র বিন্দুতে পরিণত করার উদ্যোগনেয়া হয়েছে ।

           বাংলাদেশ হাজারো গ্রামের সমষ্টি । এসব গ্রামের জীব বৈচিত্র এবং ইকোসিস্টেমঅত্যান্ত সমৃদ্ধ এবং উৎপাদন সহায়ক । উর্বর ভূমি এবং প্রাণ চাঞ্চাল্যেভরপুর এসব গ্রামে অনেক দরিদ্র মানুষসহ গ্রামীণ পরিশ্রমী মানুষের বসবাস।পরিশ্রমী এসব মানুষের মাধ্যমে উর্বর বাংলাদেশের সকল গ্রামের সকল বাড়িতেখামার সৃষ্টি করে উৎপাদন অনেক গুণ বৃদ্ধি সম্ভব । শিক্ষা, চাকুরী, ব্যবসা ওঅন্যান্য কারণে নগরায়ণ বৃদ্ধি পাচ্ছে । নগরায়নের ফলে Absentee land ownerদের সংখ্যা বাড়ছে । তাদের ভূমি ব্যবহারের মাধ্যমে যথাযথ উৎপাদন এবংসংরক্ষণের নিশ্চয়তা প্রদানের জন্য এবং প্রতি বাড়িকে খামারে রূপান্তরের জন্যপ্রয়োজন গ্রাম সংগঠন, প্রয়োজন গ্রামের মানুষের চাহিদা অনুযায়ী প্রশিক্ষণপ্রদান এবং সম্পদ তথা পুঁজি সরবরাহের ব্যবস্থা গ্রহণ । সঞ্চয় বৃদ্ধি এবংস্থানীয় সরকার ব্যবস্থায় জনসাধারণের অংশগ্রহণ বৃদ্ধি এবং তা ক্রমান্বয়েটেকসই করার ব্যবস্থা গ্রহণ। উৎপাদনের বিভিন্নমুখী কার্যক্রম গ্রহণেরপাশাপাশি বিপণন ব্যবস্থা, উৎপাদিত পণ্য সংরক্ষণ ও মজুদকরণ সহ সার্বিকব্যবস্থাপনা মাঠ পর্যায়ে সৃষ্টি ও তা টেকসই করার প্রয়াসেই একটি বাড়ি একটিখামার প্রকল্প গ্রহণ করা হয়েছে ।

প্রকল্প সারসংক্ষপঃ

প্রকল্পের নাম                              : একটি বাড়ি একটি খামার

উদ্যোগী মন্ত্রণালয়/ বিভাগ             :  স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়

বাস্তবায়নকারী সংস্থা                    :  পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় বিভাগ

সহযোগী সংস্থা                            :

                                                    > জেলা প্রশাসক (প্রধান সমন্বয়কারী)

> বাংলাদেশ পল্লী উন্নয়ন বোর্ড ( লিড এজেন্সি)

> সমবায় অধিদপ্তর

> বাংলাদেশ পল্লী উন্নয়ন একাডেমী, কুমিল্লা

> উন্নয়ন একাডেমী, বগুড়া

> পল্লী দারিদ্র্য বিমোচন ফাউন্ডেশন

> ক্ষুদ্র কৃষক উন্নয়ন ফাউন্ডেশন                               

> জাতি গঠন বিভাগসমূহ

 

কর্মসূচির মেয়াদঃজুলাই’ ২০০৯ হতে জুন’ ২০১৩ পর্যন্ত সরকারী অর্থায়নে বাস্তবায়িত হবে। জুলাই’২০১৩থেকে জুন’২০১৬ পর্যন্ত প্রকল্পের দ্বিতীয় পর্যায় গ্রহণ ও বাস্তবায়ন শেষেবিআরডিবি’র ব্যবস্থাধীন অথবা একটি স্বতন্ত্র পল্লী উন্নয়ন কর্মসূচিফাউন্ডেশন হিসেবে বাস্তবায়ন অব্যাহত থাকবে।

প্রকল্পের লক্ষ্য ও উদ্দেশ্যঃ

লক্ষ্য :

           ‘‘একটি বাড়ি একটি খামার’’ প্রকল্পের মূল লক্ষ্য প্রতিটি পরিবারকে মানব ওঅর্থনৈতিক সম্পদের সর্বোত্তম ব্যবহারের মাধ্যমে টেকসই আর্থিক কার্যক্রমেরএকক হিসেব গড়ে তোলার মধ্য দিয়ে ২০১৫ সালের মধ্যে জাতীয় দারিদ্র ২০%-এনামিয়ে আনা।

সুনির্দিষ্ট উদ্দেশ্য সমূহঃ

>   প্রথম পর্যায়ে প্রতি উপজেলার ৩৬টি গ্রাম হিসেবে মোট ১,৭৩৮৮ গ্রামেরদরিদ্র ও অতিদরিদ্র পরিবারকে অর্থনৈতিক কর্মকান্ডে সম্পৃক্ত করা এবংপর্যায়ক্রমে দেশের সকল (৮৫০০০) গ্রামের ৫১ লক্ষ দরিদ্র/অতিদরিদ্র (প্রতিগ্রামে ৬০টি ) পরিবারসহ সমিতিভূক্ত সকল পরিবারকে গ্রাম সংগঠনের মাধ্যমেপ্রতিটি গ্রামকে অর্থনৈতিক কর্মকান্ডের মূল কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলা।

>  ২০১৩ সালের মধ্যে প্রকল্পাধীন সকল গ্রামের প্রতিটি পরিবারকে কৃষি, মৎস্যচাষ, পশুপালন ইত্যাদি কাজের মাধ্যমে একটি কার্যকর ‘‘খামার বাড়ি’’ হিসেবে গড়ে তোলা।

>  ২০১১ সালের মধ্যে প্রকল্পাধীন প্রতি গ্রাম থেকে ৫ জন করে (কৃষি, পশুপালন, হাঁস-মুরগী পালন,মৎস্য চাষ, বৃক্ষ নার্সারী ও হটিকালচার ট্রেডের প্রতিবিষয়ে একজন) মোট ৮৬,৯৪০ জন সদস্যকে জীবিকাভিত্তিক প্রশিক্ষণ দিয়ে খামারস্বেচ্ছাসেবী গঠন করা এবং অন্যান্য বিষয়ে গ্রামকর্মী সৃজন করা।

>  ২০১২ সালের জুনের মধ্যে ঋণ সহায়তার মাধ্যমে নিজে/ সদস্যদের নিয়ে প্রতিগ্রামে ৫টি করে বিষয়ভিত্তিক প্রশিক্ষত কর্মীদের বাড়ীতে মোট ৮৬,৯৪০ টিপ্রদর্শণী খামার গড়ে তোলা।

>   বর্ণিত খামার স্বেচ্ছাসেবীদের সহায়তায় আগামী ২০১৩ সালের মধ্যে সরাসরিউপকারভোগী কমপক্ষ ৯,৫৬,৩৪০ পরিবারসহ গ্রামের অন্যান্য পরিবারে অনুরুপ খামারবা জীবিকাভিত্তিক কার্যক্রম নিশ্চিত করা।

>  ২০১৩ সালের মধ্যে অনিবাসী ভূমি মালিকদের ভূমিসহ গ্রামীণ সকল সম্পদের সর্বোত্তম ব্যবহার ও সম্পত্তির মালিকানা নিশ্চিত করা।

>   ২০১৩ সালের মধ্যে প্রকল্প থেকে গ্রাম সংগঠনের অতিদরিদ্র/দরিদ্র সদস্যদেরমাসিক সঞ্চয়ের বিপরীতে সমপরিমান কন্ট্রিবিউটরি মাইক্রো সেভিংস প্রদানেরমাধ্যমে প্রতিটি পরিবারের ব্যক্তি সঞ্চয় বছরে ন্যূনতম ৫,০০০/- টাকায় উন্নীতকরা যা ২ বছরে ১০ হাজার এবং ৫ বছরে ৪০ হাজার টাকায় উন্নীত হবে।

>   ব্যক্তি তহবিলে কন্ট্রিবিউটরী অর্থের অতিরিক্ত প্রতিটি সংগঠনকে বছরে তাদেরনিজস্ব সঞ্চয়ের সমপরিমান প্রকল্প থেকে মূলধন সহায়তার মাধ্যমে দু’ বছরে মোট৯,০০,০০০/- টাকা গ্রাম সংগঠন তহবিল গড়ে তোলা।

>   প্রধান কৃষি ফসলের পাশাপাশি আদা, হলুদ, পিঁয়াজ, রসুন, জিরা, মসলা, বিভিন্নফল এবং অন্যান্য অপ্রধান কৃষি ফসলের উৎপাদন বৃদ্ধিতে প্রতিটি বাড়ীসংশ্লিষ্ট জমি ব্যবহার করা।

>    মাছ চাষের পাশাপাশি গ্রামীণ জনগণের মাধ্যমে অন্যান্য aquatic culture কার্যক্রম সম্প্রসারণ করা।

>   উপজেলা পর্যায়ে বর্তমান সুবিধা (বিআরডিবি/ বিএডিসি’র গোডাউন ) ব্যবহারকরে একটি করে সমবায়ভিত্তিক বাজার ব্যবস্থাপনা, প্রক্রিয়াজাতকরণ ও সংরক্ষণ(হিমাগারসহ) ব্যবস্থা গড়ে তোলা।

>   কৃষিজাত পণ্যের সমবায় ভিত্তিতে মার্কেটিং ও প্রক্রিয়াজাত করার বিষয়ে লাগসই প্রযুক্তি ব্যবহারের কার্যক্রম গ্রহণ করা।

> অগ্রগতির প্রতিবেদন :                                          

          ১। গ্রাম উন্নয়ন সমিতিঃ-৩৬ টি 

          ২। সদস্য সংখ্যাঃ-২১৬০ জন

          ৩। সঞ্চয় জমার পরিমানঃ- ৫২.৭২ লক্ষ টাকা

          ৪। ঋণ বিতরণের পরিমানঃ- ৭০.৮২ লক্ষ টাকা

          ৫। সম্পদ হস্তান্তর পরিমানঃ-

ক্রমিক নং

বিবরন

সমিতির সংখ্যা

কর্মকান্ডের নাম

সদস্য সংখ্যা

টাকার পরিমান  (লক্ষ টাকায়)

 

২০

 

১) গাভী

১০০ জন

২০.০০

 

২) হাঁস-মুরগী

৩০ জন

১.৫০

 

৩) সবজী চাষ

১২০ জন

১.২০

 

৪) ঘরের টিন

৪৪ জন

৪.৪০

 

৫) গাছে চারা

৯০ জন

০.৯০

 

মোট

 

২০

 

৩৮৪ জন

২৮.০০

 

 

           ৬। জনবলঃ-

ক্রমিক নং

কর্মকর্তা / কর্মচারি

সংখ্যা

উপজেলা সমন্বয়কারী

১ জন

কম্পিউটার অপারেটর -কাম হিসাব সহকারী

১ জন

মাঠ সংগঠক

১ জন

মোট =

৩ জন

 

 

অংশীদারিত্বমূলক পল্লী উন্নয়ন প্রকল্প-২ (পিআরডিপি-২)

 

জাপানইন্টারন্যাশনাল কোঅপারেশন এজেন্সি (জাইকা) ও বাংলাদেশ সরকারের যৌথ আর্থিক ওকারিগরী সহায়তায় এপ্রিল ২০০০ হতে মে ২০০৪ মেয়াদে বাস্তবায়িত পিআরডিপি-১প্রকল্পের সফল বাস্তবায়নের পরিপ্রেক্ষিতে একই সংস্থার অর্থায়নে ৫ বছরমেয়াদী (জুন ২০০৫ হতে মে ২০১০) পিআরডিপি-২ প্রকল্পটি গ্রহণ হয়। স্থানীয়সরকার শক্তিমালীকরণ, জনগনের অংশগ্রহণের মাধ্যমে নিজস্ব পরিকল্পনা প্রণয়ন ওবাস্তবায়ন, বিদ্যমান সরকারী/ বেসরকারী সরবরাহ ও সেবার সর্বোত্তম ব্যবহারেরমাধ্যমে কমিউনিটিভূক্ত সকল শ্রেণী/পেশার জনগণের সার্বিক জীবনমানের উন্নয়নপ্রকল্পের প্রধান উদ্দেশ্য। প্রকল্পটি কালিহাতি (টাংগাইল), তিতাস(কুমিল্লা) এবং মেহেরপুর সদর (মেহেরপুর) উপজেলার ২০টি ইউনিয়ন  বাস্তবায়িতহয়। পিআরডিবি-২ প্রকল্পের সাফল্যের ভিত্তিতে পিআরডিবি-২ (২য় সংশোধিত)প্রকল্পের আরটিপিপি পরিকল্পনা কমিশন কর্তৃক অনুমোদিত হয়েছে, ফলেসম্প্রসারিত প্রকল্পটি মে/২০০৫ থেকে জুন ২০১৪ মেয়াদে দেশের ৬৪টি জেলায় ৮৫টিউপজেলায় ২০০টি ইউনিয়নে বাস্তবায়নের কার্যক্রম হাতে নেয়া হয়েছে। জেডিসিএফঅর্থায়নে বাস্তবায়নাধীন এই প্রকল্পে মোট ১৪৩ জন জনবলের সংস্থান রয়েছে।প্রকল্পটির মোট প্রাক্কলিত ব্যয় ৬৮.২১ কোটি টাকা। ৩০ জুন, ২০১০ পর্যন্ত মোটঅবমুক্তি ১৯.৩৮ কোট টাকা এবং ব্যয় ১৯.১৯ কোটি টাকা।

 

প্রকল্পের উদ্দেশ্যঃ

১)     যোগাযোগ সহযোগিতা ও সমন্বয় বৃদ্ধির মাধ্যমে তৃণমূল পর্যায়ে জবাবদিহিতা ও স্বচ্ছতা নিশ্চিতিকরণ।

২)       ইউনিয়ন পরিষদকে ওয়ান ষ্টপ সার্ভিস ডেলিভারী স্টেশনে রূপান্তর করা।

৩) স্থানীয় সম্পদের সুষ্ঠু আহরণ ও সর্বোত্তম ব্যবহার নিশ্চিতিকরণ এবং সামাজিক পূঁজি (ঝড়পরধষ ঈধঢ়রঃধষ) গঠনে সহায়তা প্রদান।

৪)সরকারী- বেসরকারী সেবা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠান/ সংস্থা এবং স্থানীয় পর্যায়েসেবা গ্রহণকারী পক্ষসমূহের মধ্যে সংযোগ ও সমন্বয় বৃদ্ধি এবং তা জোরদারকরণ।

৫)      নিজস্ব উদ্যোগে পরিকল্পনা প্রণয়ন এবং ব্যক্তিগত ও আর্থিক অংশগ্রহণের মাধ্যমে তা বাস্তবায়ন।

প্রধান প্রধান কর্মকান্ডঃ


Share with :

Facebook Twitter